সিলেট, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বাস্তব সদস্যরা CEO87 ব্যবহার করে কী অভিজ্ঞতা পেয়েছেন — তাদের নিজের কথায় পড়ুন।
CEO87-এর সদস্যরা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন। তাদের অভিজ্ঞতা ভিন্ন, কিন্তু একটা জায়গায় মিল আছে — CEO87-এর প্রতি আস্থা।
IPL সিজনে বন্ধুর কাছ থেকে CEO87-এর কথা শুনেছিলাম। প্রথমে একটু সংশয় ছিল, কারণ আগে অন্য একটা প্ল্যাটফর্মে খারাপ অভিজ্ঞতা হয়ে ছিল। কিন্তু CEO87-এ প্রথমবার ৳১,০০০ জমা দিয়ে ১০০% বোনাস পেলাম — মোট ৳২,০০০ দিয়ে শুরু করলাম। ম্যাচের বিশ্লেষণ নিজে করি, তাই ধীরে ধীরে জমতে থাকল।
পহেলা বৈশাখের সময় CEO87-এর বিশেষ অফার দেখে আগ্রহ হয়। বিকাশে জমা দেওয়াটা এত সহজ ছিল যে অবাক হয়েছিলাম। লাইভ ক্যাসিনোতে বাংলায় ডিলারের সাথে কথা বলতে পারাটা আসলেই আলাদা অনুভূতি।
সমুদ্রের পাশে বসে CEO87-এর অ্যাপে ক্রিকেট বেটিং করা — এটা এখন আমার রুটিনের অংশ। বন্ধুদের রেফার করে এই মাসে ৳৩,০০০ অতিরিক্ত পেয়েছি। CEO87-এর উত্তোলন প্রক্রিয়া সত্যিই দ্রুত — মাত্র ১৫ মিনিটে নগদে টাকা।
প্রযুক্তির মানুষ হিসেবে প্রথমেই CEO87-এর নিরাপত্তা যাচাই করেছিলাম। SSL এনক্রিপশন, দ্রুত লোডিং, মোবাইলে ভালো UX — সব দিক থেকে পরিপক্ব প্ল্যাটফর্ম। স্লট গেমে ফ্রি স্পিন থেকে একদিন বড় জ্যাকপট লেগেছিল।
সিলেটের রাহেল সাহেবের মতো হাজারো সদস্য CEO87-এ ক্রিকেট বেটিং উপভোগ করছেন
রাহেল আহমেদ পেশায় একটি চা-বাগানের ব্যবস্থাপক। ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ ছিল আজীবন, কিন্তু অনলাইন বেটিং সম্পর্কে তেমন ধারণা ছিল না। ২০২৩ সালের IPL সিজনে এক বন্ধুর কাছে CEO87-এর কথা জানলেন।
"প্রথমবার CEO87-এ ঢুকে দেখলাম সব কিছু বাংলায়। ম্যাচের লাইভ স্কোর, অডস — সব পরিষ্কার। মনে হলো এই প্ল্যাটফর্মটা আমাদের জন্যই বানানো।"
— রাহেল আহমেদ, সিলেটরাহেল প্রথমে মাত্র ৳১,০০০ দিয়ে শুরু করেছিলেন। CEO87-এর ১০০% স্বাগত বোনাসের কারণে তার শুরুর ব্যালেন্স হয়ে গেল ৳২,০০০। IPL-এর প্রতিটি ম্যাচ তিনি আগে থেকে বিশ্লেষণ করতেন — দলের ফর্ম, পিচের অবস্থা, আবহাওয়া বিবেচনা করে বাজি রাখতেন।
তিন মাস পর রাহেল জানান, CEO87-এর স্পোর্টস বেটিং ইন্টারফেস তার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় লেগেছে কারণ লাইভ বেটিং অপশনে একটি ম্যাচ চলাকালীনও বাজির পরিমাণ বাড়ানো বা কমানো যায়। সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসায় খারাপ সপ্তাহেও ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে যেত।
রাহেলের মতো সিলেটের অনেক সদস্যই CEO87-এ ক্রিকেট সিজনের আগে যোগ দেন এবং পরে নিয়মিত সদস্য হয়ে যান।
পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রামের নাসরিন বেগম CEO87-এর VIP বোনাস উপভোগ করলেন
নাসরিন বেগম চট্টগ্রামের একজন গৃহিণী এবং ছোট পরিসরে হোমমেড ফুড ব্যবসা পরিচালনা করেন। সামাজিক মাধ্যমে CEO87-এর পহেলা বৈশাখ বিশেষ অফার দেখে কৌতূহলী হন।
"বিকাশে জমা দিতে মাত্র দুই মিনিট লেগেছিল। ব্যালেন্স সঙ্গে সঙ্গে আপডেট হয়ে গেল। মনে হলো এটা সত্যিই নির্ভরযোগ্য।"
— নাসরিন বেগম, চট্টগ্রামনাসরিন মূলত লাইভ ক্যাসিনোতে আগ্রহী ছিলেন। CEO87-এর লাইভ বাকারা টেবিলে বাংলাভাষী ডিলারের সাথে কথা বলার সুযোগ তাকে বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছিল। ছয় মাসের নিয়মিত ব্যবহারে তিনি VIP গোল্ড স্তরে উঠেছেন।
তিনি জানান, CEO87-এর সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক তার কাছে সবচেয়ে মূল্যবান ফিচার। "যে সপ্তাহে হারি, সেই সোমবার সকালে একটু টাকা ফেরত আসে — মনটা ভালো হয়ে যায়।" VIP গোল্ড স্তরে ওঠার পর উত্তোলনের সময় আরও কমে গেছে এবং বিশেষ মাসিক বোনাস পাচ্ছেন।
নারায়ণগঞ্জের করিম সরকার — CEO87 অ্যাপে সমুদ্রের পাশে বসে ক্রিকেট বেটিং
চার শহরের চারজন সদস্যের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করে CEO87 সম্পর্কে কিছু সাধারণ সত্য বেরিয়ে এসেছে।
সব কেস স্টাডিতে একটা বিষয় মিল — CEO87-এ বিকাশ/নগদ উত্তোলন গড়ে ১০–২০ মিনিটে সম্পন্ন হয়।
ইন্টারফেস থেকে সাপোর্ট — সব বাংলায়। গ্রামীণ ও শহর উভয় সদস্যরাই এটিকে CEO87-এর সেরা দিক বলেছেন।
CEO87-এর ×৫ ওয়েজারিং শর্ত নিয়ে সব সদস্যই সন্তুষ্ট। বোনাসের টাকা সত্যিই ব্যবহারযোগ্য।
CEO87-এর অ্যাপ বা মোবাইল সাইট — দুটোই স্মুথ। লো-ব্যান্ডউইথেও কাজ করে, যা বাংলাদেশের বাস্তবতায় জরুরি।
সব সদস্যই CEO87-এর নিরাপত্তা নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডে টা সম্পূর্ণ এনক্রিপ্টেড।
করিম সরকারের কেস দেখায় CEO87-এর রেফারেল বোনাস সরাসরি নগদে তোলা যায় — কোনো বাড়তি শর্ত নেই।
ঢাকার তানভীর — CEO87-এ এক বছরের অভিজ্ঞতা ও VIP প্লাটিনাম স্তর
করিম সরকার নারায়ণগঞ্জে কাপড়ের ব্যবসা করেন। ব্যবসার ফাঁকে অবসরে CEO87-এ ক্রিকেট বেটিং করেন। তার সবচেয়ে বড় আবিষ্কার ছিল CEO87-এর রেফারেল প্রোগ্রাম।
"আমি আমার ছয় বন্ধুকে CEO87-এ আনলাম। প্রতিটি সফল রেফারেলে ৳৫০০ করে পেলাম — মোট ৳৩,০০০। এই টাকায় কোনো ওয়েজারিং শর্ত নেই, সরাসরি নগদে তুলে নিলাম।"
— করিম সরকার, নারায়ণগঞ্জকরিম জানান, CEO87-এর স্পোর্টস বেটিং সেকশনে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) এবং জাতীয় দলের ম্যাচগুলোতে বিশেষ অডস পাওয়া যায়। সমুদ্রের পাড়ে বসে মোবাইলে লাইভ বেটিং করার অভিজ্ঞতা তার কাছে অতুলনীয়।
CEO87-এর অ্যাপটি তার পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও দিব্যি চলে — এটি তার কাছে বিশেষভাবে প্রশংসনীয়। ইন্টারনেট স্পিড কম থাকলেও লাইভ স্কোর আপডেট হতে থাকে।
তানভীর হোসেন একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার। তিনি যেকোনো প্ল্যাটফর্ম প্রযুক্তিগত দিক থেকে বিচার করেন। CEO87 তার কাছে উতরে গেছে কারণ প্ল্যাটফর্মটির নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী।
"SSL সার্টিফিকেট, দ্রুত লোডিং, পরিষ্কার কোড কাঠামো — একজন ডেভেলপার হিসেবে CEO87 আমার কাছে পাস করেছে। এক বছরে একবারও কোনো নিরাপত্তা সমস্যা হয়নি।"
— তানভীর হোসেন, ঢাকাতানভীর স্লট গেম ও জ্যাকপটে বেশি সময় দেন। CEO87-এর ফ্রি স্পিন প্রোগ্রাম তার কাছে বিশেষ পছন্দের। একটি টার্বো স্লটে ফ্রি স্পিন থেকে বড় জ্যাকপট লেগেছিল — সেই টাকা মাত্র ২০ মিনিটে বিকাশে পেয়েছিলেন।
তিনি CEO87-এর মোবাইল UX নিয়েও সন্তুষ্ট। বলেন, "যে টিম এটা বানিয়েছে তারা মোবাইল-ফার্স্ট চিন্তা করেছে। বাটনের সাইজ, ফন্ট, নেভিগেশন — সব ঠিকঠাক।"